close


(৯) কমিটি সমূহ ঃ (ক) জাতীয় কমিটি ঃ ১৯৯৯ সালের ২৪ শে ডিসেম্বর তৎকালীন সরকারের লেলিয়ে দেয়া হায়েনাদের বিভীষিকাময় তান্ডব ও নিদারুন গোলাগুলিতে শত কর্মীর রক্ত্রােতের মধ্য দিয়ে দলের জন্ম হয়েছে । তাই সেই স্মৃতিকে স্মরণে রাখতে মোট ৯৯ জন সদস্য নিয়ে জাতীয় কমটি গঠিত হবে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জাতীয় কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির ৭১ জন কর্মকর্তা এবং নির্বাচিত সভাপতি জেলা পর্যায় থেকে আরও ২৮ জন সদস্য মনোনীত করে জাতীয় কমিটি গঠন করবেন । ১৭ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় কমিটির সভার কোরাম হবে। (খ) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঃ ১. সভাপতি ১ জন ২. সহ সভাপতি ৭ জন ৩. সাধারণ সম্পাদক ১ জন ৪. যুগ্ন সম্পাদক ৫ জন ৫. সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন ৬. প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১ জন ৭. দপ্তর সম্পাদক ১ জন ৮. শ্রম সম্পাদক ১ জন ৯.কৃষি ও পরিবেশ সম্পাদক ১ জন ১০.শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১ জন ১১.ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১ জন ১২. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ১ জন ১৩. আন্তর্জাতিক সম্পাদক ১ জন ১৪.আইন সম্পাদক ১ জন ১৫ . মহিলা সম্পাদক ১ জন ১৬ .যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ১ জন ১৭.অর্থ সম্পাদক ১ জন ১৮. সদস্য ৪৪ জন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকে স্মরণে রেখে মোট ৭১জন সদস্য নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত এবং এর মধ্যে ১৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম হবে। (গ) জেলা কমিটি ঃ ১. সভাপতি ১ জন ২. সহ সভাপতি ৭ জন ৩. সাধারণ সম্পাদক ১ জন ৪. যুগ্ন সম্পাদক ৫ জন ৫. সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন ৬. প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১ জন ৭. দপ্তর সম্পাদক ১ জন ৮. শ্রম সম্পাদক ১ জন ৯.কৃষি ও পরিবেশ সম্পাদক ১ জন ১০.শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১ জন ১১.ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১ জন ১২. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ১ জন ১৩. আইন সম্পাদক ১ জন ১৪ . মহিলা সম্পাদক ১ জন ১৫ .যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ১ জন ১৬.অর্থ সম্পাদক ১ জন ১৭. সদস্য ৪৪ জন ঊনসত্তরের গণ অভ্যূত্থানের স্মরণে রেখে মোট ৬৯ জন সদস্য নিয়ে জেলা কমিটি গঠিত এবং এর মধ্যে ১৩ জন সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম হবে। সব কয়টি মহানগর কমিটি জেলা কমিটির অনুরূপ হবে । উপজেলা/ ইউনিয়ন কমিটির জন্য প্রযোজ্য। উপজেলা / থানা কমিটি ঃ ১. সভাপতি ১ জন ২. সহ সভাপতি ৫ জন ৩. সাধারণ সম্পাদক ১ জন ৪. যুগ্ন সম্পাদক ২ জন ৫. সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন ৬. প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১ জন ৭. দপ্তর সম্পাদক ১ জন ৮. শ্রম সম্পাদক ১ জন ৯. কৃষি ও পরিবেশ সম্পাদক ১ জন ১০ .শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১ জন ১১.মহিলা সম্পাদক ১ জন ১২. যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ১ জন ১৩. অর্থ সম্পাদক ১ জন ১৪. সদস্য ৩৪ জন মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিঅম্লান রাখতে মোট ৫২ জন সদস্য নিয়ে থানা কমিটি করা যাবে। কমিটির সদস্য সংখ্যার এক পঞ্চমাংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হবে। (চ) উপদেষ্টা কমিটি ঃ জাতীয় আন্তর্জাতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটি প্রয়োজন মনে করলে দলের করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ বা দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ সমন্বয়ে উপদেষ্টা কামটি গঠন করবে। উপদেষ্টা কমিটির সদস্যবৃন্দ সভাপতি কর্তৃক মনোনীত হবেন এবং পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদিত হতে । জেলা- উপজেলা সহ দলের অন্যান্য স্তরের সংশ্লিষ্ট কমিটি উপদেষ্টা মনোনতি করাবেন। কোন স্তরেই উপদেষ্টার সংখ্যা কমিটির সদস্য সংখ্যার এক তৃতীয়াংশের বেশী হবে না। উপদেষ্টা কমিটির সদস্যগণ সংশ্লিস্ট ডেলিগেট হিসেবে গণ্য হবেন। এবং আমন্ত্রণ সাপেক্ষে কামিটির সভায় যোগ দিতে পারবেন। ৯. সংগঠনের তহবিল সদস্যদের চাঁদা ও অন্যান্য অনুদানের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ যে কোন তফসিলী ব্যাংকে জমা রেখে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অথবা সহ সভাপতি ও অর্থ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে দলীয় তহবিল পরিচালিত হবে। ১. বিশেষ বিধান ঃ (ক) সমাজের অর্ধেক নারী, সেই নারী সমাজকে সুসংগঠিত ও স্বনির্ভর করার জন্যে এই সংগঠন অধিক গুরুত্ব প্রদান করবে। তাই নারী আন্দোলন নামে সংগঠনকে মূল সংগঠনের মতই গুরুত্ব দেযা হবে এবং পর্যায়ক্রমে দল ও সমাজের সকল ক্ষেত্রে ৩৩/ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। এই গঠনতন্ত্রে ও অন্যান্য ধারায় যা কিছু থাকুক, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ২০০৯ এর শর্তানুসারে ২০২০ সালের মধ্যে কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও অন্যান্য সকল কমিটিতে ৩৩/ নারী সদস্যের অন্তর্ভূক্তি নিশ্চিত করা হবে। (খ) প্রকৃত গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় একটি রাজনৈতিক দলের পদাদিকারীদের সেই ক্ষমতা থাকবে ও কর্তব্য পালন করবেন। (গ) প্রতি দুই বছর অন্তর কাউন্সিল/ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সকল স্তরে কমিটি গঠন করা হবে। প্রয়োজনবোধে যে কোন সময় বিশেষ কাউন্সিল আহ্বান করা যাবে। (ঘ) দলীয় কোন পদাধিকারী একই সাথে দলীয় ও রাষ্ট্রীয় অর্থকরী পদ গ্রহণ করতে পারবেন না। (ঙ) কোন সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী অবসর গ্রহনের তিন বছরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনযন পাবেন না বা দেয়া যাবেনা। কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যাক্তির ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থে কেন্দ্রীয় কমিটি অন্যরূপ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। (চ) বিশেষ বিবেচনা ব্যতীত কোন সাধারণ সদস্য এক বছরের পূর্বে দলীয় পদ গ্রহণ করতে পারবেন না। (ছ) গঠনতন্ত্রে অনুল্লেখ্য কোন বিষয়ে কোন অস্পষ্টতা বা প্রশ্ন বা বিরোধ দেখা দিলে দেশের সংবিধান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নিয়মাবলীর ন্যায় সঙ্গত অংশ এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। মোট কথা এই দল কোন ক্ষেত্রে কোন অস্বচ্ছতার আশ্রয় গ্রহণ করবে না। বিশেষ করে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া না গেলে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৮০, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (নিচ তলা) ঢাকা - ১০০০ থেকে প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত । (৯) কমিটি সমূহ ঃ (ক) জাতীয় কমিটি ঃ ১৯৯৯ সালের ২৪ শে ডিসেম্বর তৎকালীন সরকারের লেলিয়ে দেয়া হায়েনাদের বিভীষিকাময় তান্ডব ও নিদারুন গোলাগুলিতে শত কর্মীর রক্ত্রােতের মধ্য দিয়ে দলের জন্ম হয়েছে । তাই সেই স্মৃতিকে স্মরণে রাখতে মোট ৯৯ জন সদস্য নিয়ে জাতীয় কমটি গঠিত হবে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জাতীয় কাউন্সিল কর্তৃক নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির ৭১ জন কর্মকর্তা এবং নির্বাচিত সভাপতি জেলা পর্যায় থেকে আরও ২৮ জন সদস্য মনোনীত করে জাতীয় কমিটি গঠন করবেন । ১৭ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় কমিটির সভার কোরাম হবে। (খ) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঃ ১. সভাপতি ১ জন ২. সহ সভাপতি ৭ জন ৩. সাধারণ সম্পাদক ১ জন ৪. যুগ্ন সম্পাদক ৫ জন ৫. সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন ৬. প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১ জন ৭. দপ্তর সম্পাদক ১ জন ৮. শ্রম সম্পাদক ১ জন ৯.কৃষি ও পরিবেশ সম্পাদক ১ জন ১০.শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১ জন ১১.ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১ জন ১২. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ১ জন ১৩. আন্তর্জাতিক সম্পাদক ১ জন ১৪.আইন সম্পাদক ১ জন ১৫ . মহিলা সম্পাদক ১ জন ১৬ .যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ১ জন ১৭.অর্থ সম্পাদক ১ জন ১৮. সদস্য ৪৪ জন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকে স্মরণে রেখে মোট ৭১জন সদস্য নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত এবং এর মধ্যে ১৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম হবে। (গ) জেলা কমিটি ঃ ১. সভাপতি ১ জন ২. সহ সভাপতি ৭ জন ৩. সাধারণ সম্পাদক ১ জন ৪. যুগ্ন সম্পাদক ৫ জন ৫. সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন ৬. প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১ জন ৭. দপ্তর সম্পাদক ১ জন ৮. শ্রম সম্পাদক ১ জন ৯.কৃষি ও পরিবেশ সম্পাদক ১ জন ১০.শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১ জন ১১.ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১ জন ১২. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ১ জন ১৩. আইন সম্পাদক ১ জন ১৪ . মহিলা সম্পাদক ১ জন ১৫ .যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ১ জন ১৬.অর্থ সম্পাদক ১ জন ১৭. সদস্য ৪৪ জন ঊনসত্তরের গণ অভ্যূত্থানের স্মরণে রেখে মোট ৬৯ জন সদস্য নিয়ে জেলা কমিটি গঠিত এবং এর মধ্যে ১৩ জন সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম হবে। সব কয়টি মহানগর কমিটি জেলা কমিটির অনুরূপ হবে । উপজেলা/ ইউনিয়ন কমিটির জন্য প্রযোজ্য। উপজেলা / থানা কমিটি ঃ ১. সভাপতি ১ জন ২. সহ সভাপতি ৫ জন ৩. সাধারণ সম্পাদক ১ জন ৪. যুগ্ন সম্পাদক ২ জন ৫. সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন ৬. প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১ জন ৭. দপ্তর সম্পাদক ১ জন ৮. শ্রম সম্পাদক ১ জন ৯. কৃষি ও পরিবেশ সম্পাদক ১ জন ১০ .শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১ জন ১১.মহিলা সম্পাদক ১ জন ১২. যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ১ জন ১৩. অর্থ সম্পাদক ১ জন ১৪. সদস্য ৩৪ জন মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিঅম্লান রাখতে মোট ৫২ জন সদস্য নিয়ে থানা কমিটি করা যাবে। কমিটির সদস্য সংখ্যার এক পঞ্চমাংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হবে। (চ) উপদেষ্টা কমিটি ঃ জাতীয় আন্তর্জাতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটি প্রয়োজন মনে করলে দলের করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ বা দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ সমন্বয়ে উপদেষ্টা কামটি গঠন করবে। উপদেষ্টা কমিটির সদস্যবৃন্দ সভাপতি কর্তৃক মনোনীত হবেন এবং পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদিত হতে । জেলা- উপজেলা সহ দলের অন্যান্য স্তরের সংশ্লিষ্ট কমিটি উপদেষ্টা মনোনতি করাবেন। কোন স্তরেই উপদেষ্টার সংখ্যা কমিটির সদস্য সংখ্যার এক তৃতীয়াংশের বেশী হবে না। উপদেষ্টা কমিটির সদস্যগণ সংশ্লিস্ট ডেলিগেট হিসেবে গণ্য হবেন। এবং আমন্ত্রণ সাপেক্ষে কামিটির সভায় যোগ দিতে পারবেন। ৯. সংগঠনের তহবিল সদস্যদের চাঁদা ও অন্যান্য অনুদানের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ যে কোন তফসিলী ব্যাংকে জমা রেখে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অথবা সহ সভাপতি ও অর্থ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে দলীয় তহবিল পরিচালিত হবে। ১. বিশেষ বিধান ঃ (ক) সমাজের অর্ধেক নারী, সেই নারী সমাজকে সুসংগঠিত ও স্বনির্ভর করার জন্যে এই সংগঠন অধিক গুরুত্ব প্রদান করবে। তাই নারী আন্দোলন নামে সংগঠনকে মূল সংগঠনের মতই গুরুত্ব দেযা হবে এবং পর্যায়ক্রমে দল ও সমাজের সকল ক্ষেত্রে ৩৩/ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। এই গঠনতন্ত্রে ও অন্যান্য ধারায় যা কিছু থাকুক, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ২০০৯ এর শর্তানুসারে ২০২০ সালের মধ্যে কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও অন্যান্য সকল কমিটিতে ৩৩/ নারী সদস্যের অন্তর্ভূক্তি নিশ্চিত করা হবে। (খ) প্রকৃত গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় একটি রাজনৈতিক দলের পদাদিকারীদের সেই ক্ষমতা থাকবে ও কর্তব্য পালন করবেন। (গ) প্রতি দুই বছর অন্তর কাউন্সিল/ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সকল স্তরে কমিটি গঠন করা হবে। প্রয়োজনবোধে যে কোন সময় বিশেষ কাউন্সিল আহ্বান করা যাবে। (ঘ) দলীয় কোন পদাধিকারী একই সাথে দলীয় ও রাষ্ট্রীয় অর্থকরী পদ গ্রহণ করতে পারবেন না। (ঙ) কোন সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী অবসর গ্রহনের তিন বছরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনযন পাবেন না বা দেয়া যাবেনা। কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যাক্তির ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থে কেন্দ্রীয় কমিটি অন্যরূপ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। (চ) বিশেষ বিবেচনা ব্যতীত কোন সাধারণ সদস্য এক বছরের পূর্বে দলীয় পদ গ্রহণ করতে পারবেন না। (ছ) গঠনতন্ত্রে অনুল্লেখ্য কোন বিষয়ে কোন অস্পষ্টতা বা প্রশ্ন বা বিরোধ দেখা দিলে দেশের সংবিধান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নিয়মাবলীর ন্যায় সঙ্গত অংশ এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। মোট কথা এই দল কোন ক্ষেত্রে কোন অস্বচ্ছতার আশ্রয় গ্রহণ করবে না। বিশেষ করে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া না গেলে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৮০, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (নিচ তলা) ঢাকা - ১০০০ থেকে প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত ।

 

< First Page